প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচেও হলো একপেশে লড়াই। তবে এবার আর জয়ী দলের নামটা বাংলাদেশ নয়; দাপুটে পারফরম্যান্সে মেহেদী হাসান মিরাজের দলকে বৃষ্টি আইনে ১২৮ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল পাকিস্তান।
- থার্মো-সেন্সিং প্রযুক্তির মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনে নতুনত্ব আনছে ইনফিনিক্স
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ নলা কাশেম গ্রেফতার
- * * * *
- জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধীদলের ১০ জনের কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
- * * * *
- একই শহরে দুই আবহাওয়া, কোথাও ঠান্ডা কোথাও তপ্ত ঢাকা
- * * * *
- নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা চালুতে জোর, শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরছে
- * * * *
অলআউট বাংলাদেশ
তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০ ওভারে ১৫১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে করতে হবে ১৫২ রান।
ঘরের মাঠ মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্পিন ফাঁদে ফেলতে মাত্র এক পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আগে ব্যাট করতে নেমে প্রোটিয়া বোলারদের সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে টাইগার ব্যাটারদের। যার ফলে মাত্র ১০৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে উড়ছিল বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে বড় কিছু করার প্রত্যাশা নিয়ে দেশ ছেড়েছিল শান্ত বাহিনী। তবে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মধ্যে যে যোজন যোজন পার্থক্য রয়েছে চেন্নাই টেস্টে তা ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে বাংলাদেশ দল। চেন্নাই টেস্টে ভারতের কাছে ২৮০ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে টাইগাররা।
সিলেট টেস্টে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে ২৮০ রানের জবাবে ১৮৮ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। এতে ৯২ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামবে সফরকারীরা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ভীষণ বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। হতশ্রী ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে দুইশ’র নিচে গুটিয়ে যাবার শঙ্কা নিয়ে প্রথম দিনের চা-বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে দ্বিতীয় সেশন শেষেই উঁকিঝুঁকি দেয় অলআউটের শঙ্কা। শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানেই গুটিয়ে গেছে টাইগাররা।
দিনের শুরুতেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন রেকর্ড গড়ে সেঞ্চুরি হাঁকানো নাজমুল হোসেন শান্ত। এতে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জেগেছিল। শেষ পর্যন্ত তা হতে দেননি অভিজ্ঞ মুশফিক ও অলরাউন্ডার মিরাজ। তারা দুইজনেই দেখা পেয়েছেন ব্যক্তিগত পঞ্চাশের